...

রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই

রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই 'মোদের গরব মোদের আশা আমরি বাংলা ভাষা' অতুলপ্রসাদ সেনের এই কথা প্রতিটি বাঙালিরই মনের কথা। মা, মাটি আর মুখের বোল- এই তিনে মনুষ্য জন্মের সার্থকতা। নিজের মুখের ভাষার চেয়ে মধুর আর কিছু হতে পারে না। মাতৃভাষার অধিকারকে বুকের
আরো পড়ুন
...

ছয় দফা বাঙালির 'স্বাধীনতার সনদ'

আমরা ৭ জুন ছয় দফা দিবস হিসেবে পালন করি। ২০২০ সাল বাঙালির জীবনে এক অনন্য বছর হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। আমাদের অর্থাৎ বাংলাদেশের জনগণের জন্য এ বছরটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপনে ব্যাপক কর্মসূচির আয়োজন করা
আরো পড়ুন
...

বঙ্গবন্ধুর কণ্ঠে স্বাধীনতার ঘোষণা: বিশ্বজুড়ে আলোড়ন

১৯৭১। সময়টা ছিল যুদ্ধমুখর। কয়েক দশক ধরেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মুক্তিকামী মানুষের সংগ্রাম চলছিল। একদিকে কমিউনিস্টদের বিপ্লব চলছিল, অন্যদিকে মুক্তির জন্য বিচ্ছিন্নতাবাদী যুদ্ধে লিপ্ত ছিল বিশ্বের বেশ কয়েকটি রণাঙ্গণ। তবে, বাঙালি জাতির মুক্তির সংগ্রাম ছিল অন্যদের থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। আমাদের
আরো পড়ুন
...

ভাষা আন্দোলন

১৯৪৭ সালে ভারতভাগের পর পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী ও মুসলিম লীগ নেতৃত্ব জনগণের শাসন প্রতিষ্ঠার নীতি গ্রহণ না করে, পূর্ব বাংলার নিরীহ শান্তিপ্রিয় মানুষের ওপর বৈষম্যমূলক আচরণ শুরু করে। এই নীতির অংশ হিসেবে তারা পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ভাষা বাংলার পরিবর্তে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা
আরো পড়ুন
...

যুক্তফ্রন্টের নির্বাচন ও ঐতিহাসিক একুশ দফা

১৯৫২ আন্দোলনের মাধ্যমেই পূর্ব বাংলার মানুষের সঙ্গে গণতান্ত্রিক এবং রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের একটা প্রাণের সংযোগ স্থাপিত হয়, যা এর আগে আর কখনও হয়নি। এরপরেই, ১৯৫৩ সালে, আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন তরুণ নেতা শেখ মুজিবুর রহমান। এসময় ১৯৫২
আরো পড়ুন
...

১৯৭০: স্বাধীনতার জন্য জাতিকে প্রস্তুতের পর দৃষ্টি ছিল আন্তর্জাতিক অঙ্গনে

১৯৪৭ সালে শুধু ধর্মের ভিত্তিতে ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি পৃথক রাষ্ট্র সৃষ্টির পরই স্পষ্ট হয়ে যায় যে, পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চল তথা পূর্ব বাংলার সংখ্যাগরিষ্ঠ সাত কোটি মানুষ প্রতারণার শিকার হয়েছেন। তখন থেকেই বাঙালির সংস্কৃতি ও অর্থনীতির ওপর পাকিস্তানি জান্তাদের আগ্রাসনের
আরো পড়ুন
...

১৯৭১: মার্চের শুরুতেই বিকল্প সরকার পরিচালনা করেন বঙ্গবন্ধু

স্বায়ত্তশাসনসহ অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক মুক্তির ছয়টি দাবি নিয়ে, ১৯৬৬ সালে, ঐতিহাসিক ছয় দফা ঘোষণা করেন তৎকালীন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক শেখ মুজিবুর রহমান। এর অল্প সময়ের মধ্যেই দলের সভাপতি নির্বাচিত হন তিনি। চষে বেড়াতে শুরু করেন বাংলার মাঠ-প্রান্তর। এসময় 'ছয়
আরো পড়ুন
...

৭ মার্চ: চূড়ান্ত রণ-কৌশলের নির্দেশনা

১৯৭১ সালের ৭ মার্চ স্বাধীনতা সংগ্রামের টার্নিং পয়েন্ট হয়ে দাঁড়ায়। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মানুষ এসে সমবেত হয় ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। কয়েক বর্গ মাইল এলাকা লোকারণ্য হয়ে যায়। 'তোমার দেশ আমার দেশ, বাংলাদেশ বাংলাদেশ' স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে চারপাশ। উড়তে
আরো পড়ুন
...

৭ মার্চ: বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনা ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি

১৯৭১ সালের ৭ মার্চ, ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ নাড়া দিয়েছিল বিশ্ব নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকে। ১৯৭১ এর ৫ মার্চ দ্য গার্ডিয়ান, সানডে টাইমস, দি অবজারভার এবং ৬ মার্চ ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকায় ৭ মার্চে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার দিক-নির্দেশনামূলক ঘোষণার
আরো পড়ুন
...

অসহযোগ আন্দোলন

১৯৭১ সাল। পাকিস্তানের সামরিক শাসক জেনারেল ইয়াহিয়া খান ১ মার্চ ঘোষণা করেন, নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ৈ ৩ মার্চের জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করা হলো। এরপরপরই ফুঁসে ওঠে আপামর বাঙালি। কর্মসূচি ঘোষণা করেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ২ মার্চ উত্তোলন
আরো পড়ুন
...

বঙ্গবন্ধুর কণ্ঠে স্বাধীনতার ঘোষণা

১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ, এতটা রক্তমাখা সূর্যোদয় হয়ত এদেশের মানুষ কখনো দেখেনি, কিন্তু এ এক নতুন সূর্য, স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের সূর্য। হাজার বছরের শৃঙ্খলমুক্তির জন্য রক্তস্নাত এক সূর্য উদিত হলো সেদিন বাংলার আকাশে। হ্যা, বাংলাদেশ তখন বিশ্বের বুকে স্বাধীন রাষ্ট্র
আরো পড়ুন
...

স্বাধীনতার ইশতেহার

১৯৭১ সালের ৩ মার্চ ঢাকার পল্টন ময়দানে আয়োজিত ছাত্র জনতার সমাবেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উপস্থিতিতে ‘স্বাধীনতার ইশতেহার’ ঘোষণা করে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ।  এতে ‘বাংলাদেশ’ নামে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা এবং এর তিনটি লক্ষ্য নির্দিষ্ট করা হয়। লক্ষ্য তিনটি
আরো পড়ুন
...

মুজিবনগর সরকার

১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সুদীর্ঘ ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে কুষ্টিয়া জেলার তদানীন্তন মেহেরপুর মহকুমার বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে স্বাধীন-সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে। এর আগে, ১৯৭১ সালের ১০
আরো পড়ুন
...

স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি

১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। এরপর, ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল তারিখে মুজিবনগর সরকার স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করে। মুজিবনগর সরকারের জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র হলো বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তি সংগ্রামের একটি
আরো পড়ুন
...

মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা

১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি, সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপ-রাষ্ট্রপতি (বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি) এবং তাজউদ্দীন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী করে যে সরকার গঠিত হয়, তা-ই ছিল প্রথম বাংলাদেশ সরকার, যা মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত। ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার
আরো পড়ুন
...

কারাগারে ৪৬৮২ দিন

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার জীবনে ৪৬৮২ দিন কারাভোগ করেছেন। ব্রিটিশ আমলে স্কুলজীবন থেকে শুরু হয়েছে তারা কারাবরণ। এসময় বঙ্গবন্ধু ৭ দিন কারা ভোগ করেন। বাকি ৪৬৭৫ দিন কারা ভোগ করেছেন পাকিস্তান সরকারের আমলে। ৫৪ বছরের জীবনের প্রায়
আরো পড়ুন
...

বঙ্গবন্ধুর জেলজীবনের অভিজ্ঞতা

জীবনের প্রায় চার ভাগের একভাগ সময়ই জেলে কেটেছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের। কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে বসেই স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখেছেন তিনি। কারাগারে বসেই বাঙালি জাতিরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করেছেন। কারাগারের জীবনই হয়ে পড়েছিল তার বিকল্প ঘরসংসার। জীবনের অনেক সময় জেলে থাকার কারণে,
আরো পড়ুন
...

পাকিস্তানের কারাগারে মৃত্যুর প্রতীক্ষা

১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে ওয়্যারলেসের মাধ্যমে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এর পরপরই তাকে গ্রেফতার করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী। সেই রাতে তাকে আটক রাখা হয় তৎকালীন আদমজী ক্যান্টনমেন্ট স্কুল, বর্তমান শহীদ আনোয়ার উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজে। পরদিন
আরো পড়ুন
...

পাকিস্তানিদের পোড়ামাটি নীতি

২৫ মার্চ, ১৯৭১। গোধূলির ছায়ায় দিনের আলো হারিয়ে যাওয়ার পর, এক অনিঃশেষ অন্ধকার নেমে এলো। স্বাধীনতাকামী বাঙালি জাতির ভাগ্যরেখা চিরতরে মুছে দেওয়ার জন্য, ট্যাংক নামানো হলো ঢাকার রাস্তায়। শহরজুড়ে ছড়িয়ে পড়লো আধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সদস্যরা। রাতভর তাদের
আরো পড়ুন
...

বাঙালির মুক্তিযুদ্ধ ও বন্ধুরাষ্ট্র ভারতের ভূমিকা

আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন পণ্ডিত জওহরলাল নেহেরুর কন্যা শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে বিশ্বজুড়ে জনমত সৃষ্টি করতে অনন্য ভূমিকা পালন করেছেন তিনি। পাকিস্তানি হানাদাররা যখন এদেশের লাখ লাখ মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করার পর আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে এটিকে গৃহযুদ্ধ
আরো পড়ুন