...

বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক কৌশল

১৯২০ সাল, খুব মজার একটা হিসেব আছে এখানে। এই বছরই কিন্তু ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে অসহযোগ আন্দোলন শুরু করেন মহাত্মা গান্ধী। খেয়াল করে দেখবেন, আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানও কিন্তু জন্মগ্রহণ করেছেন এই বছরেই। পরবর্তীতে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য পাকিস্তানের সামরিক
আরো পড়ুন
...

বাংলাদেশের চার মতাদর্শিক স্তম্ভ

শেখ মুজিবুর রহমানের আবির্ভাব বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ঘটনা। বঙ্গবন্ধুর কৃতিত্ব একটি ভাষাভিত্তিক অসাম্প্রদায়িক স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। রাজনৈতিক ইতিহাসে তিনি রূপকথার নায়কের মতোই উজ্জ্বল। পৃথিবীর ইতিহাসে স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় ইতালিতে ম্যাটসিনি ও গ্যারিবন্ডি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জর্জ ওয়াশিংটন
আরো পড়ুন
...

বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিকাশ ও জাতিরাষ্ট্রের জন্ম

পাকিস্তান সৃষ্টির পর, ধর্মকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে বাংলার মানুষের ওপর জাতিগত ও সাংস্কৃতিক নিপীড়ন শুরু হয়। এর প্রতিবাদে নতুন এক বোধ জাগরিত হতে শুরু তরুণপ্রজন্মের মনে। পরবর্তীতে, জান্তাদের সীমাহীন অর্থনৈতিক শোষণ থেকে মুক্তি ও রাজনৈতিক অধিকার আদায়ের দাবিতে একাট্টা
আরো পড়ুন
...

বাকশাল: জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনের পরিকল্পিত পদক্ষেপ

বাকশাল, যার পরিপূর্ণ রূপটি হলো 'বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ'। ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি, জাতীয় সংসদে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী পাস হয়; ফলে সংসদীয় পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থা থেকে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা চালু হয়। সংবিধানের নতুন এই সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির আদেশবলে
আরো পড়ুন
...

বাংলাদেশি সমাজতন্ত্রের স্বরূপ সন্ধানে

১৯০ বছরের পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে মুক্তিরস্বাদ আস্বাদনের জন্য, ১৯৪৭ সালে ধর্মের ভিত্তিতে ভাগ হওয়া ভারতবর্ষের পাকিস্তান অংশের সঙ্গে যুক্ত হলাম আমরা। কিন্তু সেই ধর্মের মোহ কাটতে খুব বেশি সময় লাগলো না। ধর্মকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে, হাজার মাইল দূর থেকে,
আরো পড়ুন
...

গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মাধ্যমে বাঙালি জাতিসত্তার উন্মেষ

পূর্ব বাংলা ও পশ্চিম পাকিস্তান মিলে অখণ্ড পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর, ১৯৭০ সালের আগ পর্যন্ত, দীর্ঘ ২৩ বছরেও কোনো জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। খুবই আশ্চর্যজনক ব্যাপার হলো, ইংরেজদের করে দেওয়া ভারতশাসন আইন দিয়েই ১৯৪৭ সাল থেকে ১৯৫৬ সাল পর্যন্ত পরিচালিত হয়েছে
আরো পড়ুন
...

বাঙালির মুক্তির দর্শনঃ মুজিববাদ

বাঙালি জাতির হাজার বছরের দীর্ঘ মুক্তি সংগ্রামের অবসান ঘটে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর। ৯ মাস সশস্ত্র যুদ্ধের পর বহুল কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা অর্জিত হয়। পাকিস্তানিদের দুই যুগের বৈষম্য, শোষণ ও নির্যাতন থেকে মুক্তি পায় সাত কোটি মানুষ। বিশ্বের বুকে বীরের জাতি
আরো পড়ুন
...

অসাম্প্রদায়িকতার বন্ধনে গাঁথা বাঙালি জাতি

বাংলাদেশের সংবিধানের অন্যতম একটি স্তম্ভ হলো ধর্মনিরপেক্ষতা। বিভিন্ন সময় এই 'ধর্মনিরপেক্ষতা' শব্দটিকে বিভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়। অনেকের ধারণা, ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ধর্মের অনুপস্থিতি, ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ধর্মহীনতা, এরকম অপপ্রচার বিভিন্ন সময় ছড়ানো হয়েছে। কিন্তু আসলেই কী তাই? নাকি ধর্মনিরপেক্ষতা মানে অসাম্প্রদায়িকতা, ধর্মকে
আরো পড়ুন
...

মুজিবের চেতনায় নারী অধিকার

যুগে যুগে কবি-সাহিত্যিক-শিল্পী-সমাজ সংস্কারকগণ এসেছেন, নারী অধিকারের কথা বলে গেছেন; নারী মুক্তির আন্দোলন করেছেন। সমাজের কুসংস্কার থেকে নারীকে রক্ষার প্রচেষ্টা নিয়েছেন। সমাজকে সচেতন করতে উদ্যোগী হয়েছেন। এ ভূখণ্ডে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নারীর ক্ষমতায়নে সবচেয়ে সাহসী ভূমিকা
আরো পড়ুন
...

লেবাসসর্বস্ব ইসলামে নয়, ইনসাফের ইসলামে বিশ্বাসী'

পাকিস্তানিরা ধর্মের নামে যেভাবে লুটপাট, শোষণ, খুন, ধর্ষণ চালিয়েছে; সেই ধারা থেকে বাংলাদেশকে বের করে আনতে চেয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সোনার বাংলা গড়ার জন্য তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানের এই দেশে ইসলামের সঠিক মূল্যবোধ কায়েম করতে চেয়েছেন। মানুষকে ধর্মের প্রকৃত শিক্ষায়
আরো পড়ুন
...

সোনার বাংলা গড়তে হলে সোনার মানুষ চাই

অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর অবস্থান সেই তরুণ বয়স থেকেই। নির্লোভ-নির্মোহ জীবনযাপনে অভ্যস্ত ছিলেন তিনি। দেশভাগের পর বঙ্গবন্ধু যখন পাকিস্তানের জাতীয় রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন, তখন অনেক সিনিয়র নেতার দুর্নীতি দেখে প্রকাশ্যেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। যুক্তফ্রন্টে যোগ দিয়ে নির্বাচন করার সিদ্ধান্তের
আরো পড়ুন
...

কৃষক-শ্রমিকদের মর্যাদার জীবন গড়তে চেয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু

আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠার পর সমাজের সংখ্যাগরিষ্ঠ কৃষক-শ্রমিকের স্বার্থ রক্ষার উদ্যোগ নেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ফলে মুসলিম লীগের কট্টর অংশ এবং সমাজের ধনীক শ্রেণিদের একটা বড় অংশ বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করে। তাদের অগাধ টাকা এবং প্রতিষ্ঠিত ক্ষমতার বিপরীতে শুধু
আরো পড়ুন
...

বঙ্গবন্ধুর যোগাযোগদর্শন

২০১৭ সাল ছিল বাংলাদেশের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য বছর। কারণটা কী? বলছি...১৭ কে উল্টে দিলেই কিন্তু ৭১ হয়। এই ২০১৭ সাল আমাদের ১৯৭১ এর স্মৃতিতে ফিরিয়ে নিয়ে গিয়েছে বারবার। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ, বঙ্গবন্ধুর সেই ঐতিহাসিক ভাষণ, সেই উদ্ধত তর্জণী, সেই
আরো পড়ুন
...

গণমাধ্যম ও বঙ্গবন্ধু

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, একটি প্রত্যন্ত গ্রামে জন্ম নিয়েও বিশ্বজয় করেছিলেন। ১৯৪৭ এর পর থেকে আমৃত্যু বাঙালি জাতির প্রধান আকর্ষণ ছিলেন তিনি। তাকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়েছে বাঙালি জাতির মুক্তির ইতিহাস। তরুণ শেখ মুজিব ক্রমেই যেভাবে বাঙালি জাতির মুক্তিদাতা এবং স্বাধীনতার স্থপতি হয়ে উঠেছেন, তার
আরো পড়ুন
...

বঙ্গবন্ধুর ধর্মবিশ্বাস ও ধর্মনিরপেক্ষতার স্বরূপ সন্ধানে

বঙ্গবন্ধু ধর্মনিরপেক্ষতার যে ধারণা দিয়েছিলেন, তা পশ্চিমা বিশ্বের ধর্মনিরপেক্ষতার ধরণ থেকে আলাদা ছিল। সেক্যুলারিজম বলতে বঙ্গবন্ধু বুঝিয়েছিলেন অসাম্প্রদায়িকতা। বঙ্গবন্ধুর ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ধর্মহীনতা নয়; বঙ্গবন্ধুর ধর্মনিরপেক্ষতা মানে সমাজে শান্তি বজায় রেখে সবার নিজ নিজ ধর্ম পালন করা, ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি না
আরো পড়ুন
...

তিনি ও তার সোনার বাংলা

বাংলাদেশের মানুষকে একটি স্বাধীন ভূখণ্ড উপহার দিয়েছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান। ছাত্রজীবন থেকেই বাংলার দরিদ্র মানুষের দুঃখযন্ত্রণা নিয়ে ভাবতেন তিনি। যে মানুষগুলি দিনের পর দিন এক বেলা খাবার জোগাড় করতে পারেন না, মাথা গোঁজার ঘর পান না, যেখানে মায়ের কোলে রোগে
আরো পড়ুন
...

বাকশালের বিরোধিতা কারা করে, কেন করে?

রাজনীতিতে সব উদ্যোগের পক্ষে এবং বিপক্ষে মতবাদ সৃষ্টি হয়। রাজনীতিতে নিরঙ্কুশ সমর্থন বলে কিছু নেই। কিন্তু বাকশালকে নিয়ে একটা শ্রেণি, ১৯৭৫- এ বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর থেকে টানা দুই দশকের বেশি সময় ধরে যেসব প্রোপাগান্ডা ছড়িয়েছে, তা কোনো রাজনৈতিক বিরোধিতা নয়।
আরো পড়ুন